সিনেমা স্টাইলে তরুণীকে অপহরণের চেষ্টা, ভিডিও ভাইরাল
ছবি: সংগৃহীতবাড়ি থেকে ২২ বছরের তরুণীকে অপহরণের চেষ্টা এক বখাটের। জানা গেছে, অভিযুক্তের নাম সেলিম খান ওরফে কালু। এর আগে ২২ বছরের ওই তরুণীকে ধর্ষণও করেছিলেন তিনি। সেই ভিডিও তুলে ভয় দেখানোর চেষ্টা করেন। কিন্ত পরে তরুণীর বিয়ে ঠিক হলে বাড়িতে গিয়ে অভিভাবকদের মারধর করে অপহরণের চেষ্টা করেন কালু।
ভারতের মধ্যপ্রদেশের অশোকনগরের ঘটনা এটি। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ ওই তরুণীর বাড়িতে গিয়ে হইচই শুরু করেন সেলিম ও তার সহযোগী যোধা, সমীর এবং শাহরুখ।
বিজ্ঞাপন
#MadhyaPradesh | Man Rapes 22-Year-Old Girl, Threatens To Kill Family Members After He Finds Out About Her Engagement In Ashoknagar#Crime #Ashoknagar pic.twitter.com/b2REd64RNA
— Free Press Madhya Pradesh (@FreePressMP) May 31, 2024
এ সময় তরুণী প্রতিবাদ জানালে তার বাবার পা ও ভাইয়ের হাত ভেঙে দেন। মাকেও রেহাই দেননি। তাকেও মারধর করার অভিযোগ। এরপর তলোয়ার বের করেন সেলিম। তার সঙ্গীরা লোহার রড উঁচিয়ে ভয় দেখিয়ে তরুণীকে টানতে টানতে বাড়ি থেকে বের করে আনেন।
এক পর্যায়ে ওই তরুণী এবং তার পরিবার চিৎকার করতে থাকেন। তখন স্থানীয়রা জড়ো হন। ভয়ে তরুণীকে ফেলেই পালিয়ে যান অভিযুক্তরা। ওই তরুণী-তার পরিবার ও হবু বরকে খুনের হুমকিও দেন।
বিজ্ঞাপন
তবে পুলিশ এই ঘটনায় প্রথমে অভিযোগ নিতে রাজি হয়নি। পরে স্থানীয় এক হিন্দুত্ববাদী সংগঠন হস্তক্ষেপ করলে সক্রিয় হয় পুলিশ। তরুণী ও তার বাবার অভিযোগেরভিত্তিতে এফআইআর করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
সূত্র: এনডিটিভি
বিজ্ঞাপন
এমএসএম
বিজ্ঞাপন
মার্কিন অস্ত্র দিয়ে রাশিয়ার ভেতরে হামলা চালানোর অনুমোদন বাইডেনের
চলতি মাসের শুরুতে ইউক্রেনের খারকিভ অঞ্চলে হামলার মাত্রা বৃদ্ধি করে রাশিয়া/ ছবি: সংগৃহীতরুশ ভূখণ্ডে হামলা চালানোর ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ব্যবহারে ইউক্রেনকে যে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল, তা শিথিল করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এই শিথিলতা ইউক্রেনকে তার উত্তর-পূর্ব খারকিভ অঞ্চলের কাছাকাছি রাশিয়ার ভূখণ্ডে হামলা চালাতে সাহায্য করবে।
বেশ কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, কিয়েভকে খারকিভ অঞ্চলের সীমান্ত এলাকায় মার্কিন অস্ত্র ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হবে। চলতি মাসের শুরুতেই খারকিভের বেশ কয়েকটি গ্রামের দখল নেয় রুশ সেনাবাহিনী।
বিজ্ঞাপন
নাম না প্রকাশের শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সম্প্রতি ইউক্রেনকে খারকিভ অঞ্চলে পাল্টা হামলার জন্য মার্কিন অস্ত্র ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের মতে ইউক্রেনের আত্মরক্ষার্থে মার্কিন অস্ত্র ব্যবহারে কোনো নিষেধাজ্ঞা থাকবে না। তবে এসব অস্ত্র শুধু খারকিভ সীমান্তের রুশ অঞ্চলে হামলার জন্য ব্যবহার করতে পারবে কিয়েভ।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তে বেজায় জটেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এরই মধ্যে তিনি আবারও তার বাহিনীকে পারমাণবিক শক্তির উপর জোর দিয়ে আসন্ন ‘গুরুতর পরিণতি’ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন।
বিজ্ঞাপন
রাশিয়ার নিম্ন কক্ষের প্রতিরক্ষা কমিটির প্রধান আন্দ্রেই কার্তাপোলভকে উদ্ধৃত করে শুক্রবার (৩০ মে) রাশিয়ার রাষ্ট্র-পরিচালিত বার্তাসংস্থা আরআইএ নভোস্তি জানিয়েছে, মার্কিন অস্ত্র ব্যবহার করে রুশ ভূখণ্ডে ইউক্রেনের হামলার প্রতিশোধ নেবে মস্কো।
রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান ও প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেছেন, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনার বিষয়টি মোটেই ফাকা বুলি নয়। তাছাড়া পশ্চিমাদের বাড়াবাড়ি এই যুদ্ধকে ‘সর্বাত্মক যুদ্ধে’ রূপান্তরিত করতে পারে বলে যে আশঙ্কা রাশিয়া করছে, সেটাও মিথ্যা নয়।
বিজ্ঞাপন
এদিকে, শুক্রবার (৩১ মে) জার্মানিও ইউক্রেনকে পশ্চিমা দেশগুলোর সরবরাহ করা অস্ত্র ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে। দেশটির দাবি, আত্মরক্ষার্থে অবশ্যই এসব অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে ইউক্রেন সেনাবাহিনী।
সূত্র: আল জাজিরা
এসএএইচ
বিজ্ঞাপন
কম দামে সোনা পাওয়ার লোভে ৪০ লাখ টাকা খোয়ালেন নারী
প্রতীকী ছবিবাজারদরের চেয়ে কম দামে সোনা পাওয়ার লোভে দুর্বৃত্তদের কাছে প্রায় ৪০ লাখ টাকা খোয়ালেন এক নারী। প্রতারকের কথায় বিশ্বাস করে ব্যাগভর্তি টাকা নিয়ে গিয়েছিলেন নির্দিষ্ট স্থানে। সেখান থেকেই ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় অপরাধীরা। সম্প্রতি ভারতের নাভি মুম্বাই এলাকায় ঘটেছে এই ঘটনা।
শুক্রবার (৩১ মে) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, ৩৬ বছর বয়সী ওই নারীকে সস্তায় অনেকখানি সোনা পাইয়ে দেওয়ার লোভ দেখিয়েছিল একটি প্রতারক চক্র। প্রতিশ্রুতি মোতাবেক সোনা কিনতে গেলে তার কাছ থেকে প্রায় ২৮ লাখ রুপি (প্রায় ৪০ লাখ টাকা) ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন>>
- বিশ্ববাজারে ইতিহাসের সর্বোচ্চ দামে সোনা
- ইটভাটার মাটির স্তূপ খুঁড়ে দিনরাত সোনা খোঁজার ধুম
- খাঁটি সোনা চিনবেন যেভাবে
এ ঘটনায় স্থানীয় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী। তিনি জানান, এক ব্যক্তি তাকে ২৭ লাখ ৮১ হাজার রুপিতে আধা কেজি সোনা পাইয়ে দেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন, যা প্রচলিত বাজারমূল্যের চেয়ে অনেক কম।
বিজ্ঞাপন
প্রতিশ্রুতি মোতাবেক গত ১৮ মে অভিযোগকারীকে নিয়ে একটি গাড়িতে করে সানপাদা স্টেশনে নিয়ে যান ওই ব্যক্তি। কিন্তু সেখানে পৌঁছালে কিছু লোক এসে নারীকে হুমকি দেয় এবং তার টাকাভর্তি ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়।
ভুক্তভোগীর দাবি, যে ব্যক্তি সোনার লোভ দেখিয়েছিল এবং তাদের সঙ্গে গাড়িতে আসা আরেক ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
বিজ্ঞাপন
পরে তদন্তে নেমে রাকেশ শিবাজি শিংটে (৩৯) এবং রূপেশ সুবাস সাপকালে (৪২) নামে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এদের মধ্যে রাকেশ ওই নারীকে কম দামে সোনা পাইয়ে দেওয়ার লোভ দেখিয়েছিলেন।
অভিযুক্ত বাকিদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কেএএ/
বিজ্ঞাপন
শেষ দফার নির্বাচনের আগে ধ্যানে মোদী
ছবি: সংগৃহীত১৩১ বছর আগে যেখানে ধ্যান করেছিলেন নরেন্দ্রনাথ দত্ত অর্থাৎ স্বামী বিবেকানন্দ। লোকসভা নির্বাচনের শেষ ধাপের আগে কন্যাকুমারীর সেই বিবেকানন্দ রকেই এবার ধ্যানে বসেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) তিরুঅনন্তপুরমের ভগবতী আম্মান মন্দিরে পুজো সেরে ধ্যানে বসেছেন তিনি।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটের দিকে তিনি ধ্যান শুরু করেছেন। আগামী ৪৫ ঘণ্টা তিনি ওই ধ্যানে থাকবেন। এই ৪৫ ঘণ্টা শুধু তরল খাবার খাবেন মোদী।
বিজ্ঞাপন
Sunrise, Surya Arghya, Spirituality... pic.twitter.com/Q87bIuFm97
— BJP (@BJP4India) May 31, 2024
এই ৪৫ ঘণ্টা কারও সঙ্গে কথা বলবেন না মোদী। অর্থাৎ পুরোটাই মৌনব্রত পালন করবেন। এমনকি ওই ধ্যানের জায়গা থেকে বাইরেও আসবেন না তিনি। বেশিরভাগ সময়টাই কাটাবেন ধ্যান করে।
২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের পর মোদী যখন কেদারনাথে ধ্যানে বসলেন, সেবার প্রায় গোটা ধ্যান পর্বের ছবি-ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। দেখানো হয়েছিল সংবাদমাধ্যমেও। কিন্তু এবার তেমনটা হয়নি। মোদীর ধ্যানে বসার প্রায় ১২ ঘণ্টা পর ছবি-ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে।
বিজ্ঞাপন
সংবাদমাধ্যম এএনআই-এর টুইট করা ভিডিও দেখা যাচ্ছে, নরেন্দ্র মোদী স্বামী বিবেকানন্দের মূর্তির সামনে বসে ধ্যান করছেন। তার পরনে গেরুয়া বসন। হাতে রুদ্রাক্ষের মালা।
এদিকে মোদীর ধ্যান নিয়ে আগেই আপত্তি জানিয়ে রেখেছিল বিরোধীরা। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী খোঁচা দিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন, ধ্যান আবার কেউ ক্যামেরা নিয়ে করে নাকি? কংগ্রেস, ডিএমকের মতো দলের পক্ষ থেকে কমিশনেও আবেদন জানানো হয়েছিল, যাতে মোদীকে ধ্যানের অনুমতি না দেওয়া হয়। কিন্তু তাতে কাজের কাজ হয়নি। বিরোধীদের আপত্তি উড়িয়ে ধ্যান করছেন মোদী।
বিজ্ঞাপন
সূত্র: এনডিটিভি
এমএসএম
বিজ্ঞাপন
এমপি আনার খুন
সিয়ামের খোঁজে নেপাল যাচ্ছে সিআইডির বিশেষ দল
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সদর দপ্তরকলকাতায় খুন হওয়া ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যার তদন্তে ঘুরেফিরেই আসছে নেপালের নাম। বলা হচ্ছে, হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড আখতারুজ্জামান শাহীন নেপালে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তিনি দুবাই হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়েছেন। কিন্তু মামলার আরেক আসামি সিয়াম এখনো নেপালেই রয়েছেন। এ কারণে, অভিযুক্তদের খোঁজে প্রতিবেশী দেশটিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের অপরাধ তদন্তকারী বিভাগ সিআইডি। শিগগির সিআইডির একটি বিশেষ দল নেপালে যাবে বলে জানা গেছে।
এমপি আনার হত্যা মামলার তদন্তে গত সপ্তাহে কলকাতায় গিয়েছিল ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান হারুন অর রশীদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) দেশে ফেরার আগে ডিবিপ্রধান সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন>>
- কলকাতায় আসার উদ্দেশ্য শতভাগ সফল: ডিবিপ্রধান
- আনুষ্ঠানিক চিঠি দিয়ে মাংসের নমুনা দেশে আনা হবে
- সঞ্জীবা গার্ডেনসের সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহের খণ্ডাংশ উদ্ধার
এসময় তিনি জানান, এমপি আনার হত্যা মামলার প্রধান আসামি আখতারুজ্জামান শাহীন গা ঢাকা দিয়েছেন। অনুমান করা হচ্ছে, তিনি নেপাল হয়ে দুবাই, তারপর যুক্তরাষ্ট্রে চলে যেতে পারেন। মামলার আরেক অভিযুক্ত সিয়াম বর্তমানে নেপালে অবস্থান করছেন। তাদের উভয়কে ফিরে পেতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের সিআইডি-ও বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে।
বিজ্ঞাপন
হারুন অর রশীদ আরও বলেন, একজন আসামি কাঠমাণ্ডুতে রয়েছেন, আরেকজন আমেরিকায়। আমার এরই মধ্যে কলকাতার পুলিশ কমিশনার, সিআইডি প্রধানের সঙ্গে কথা হয়েছে। কাঠমাণ্ডুতে সিয়ামের অবস্থানের বিষয়টি সিআইডির তদন্তকারী কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। নেপাল কর্তৃপক্ষকেও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে অবগত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আমাদের ধারণা, এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড আখতারুজ্জামান শাহীন বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। বিষয়টি নিয়ে আমরা সিআইডি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। যেহেতু ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যার্পণ চুক্তি রয়েছে,আর তার বিরুদ্ধে কলকাতায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে, তাই শাহীনকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরিয়ে আনতে যেন তারা কথা বলে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন>>
- এমপি আনারকে কলকাতায় রিসিভের দায়িত্বে ছিলেন সিলিস্তি
- এমপি আনার হত্যা: তিন আসামি এবার ৫ দিনের রিমান্ডে
- মরদেহের টুকরো পাবলিক টয়লেটে নিয়ে হস্তান্তর করা হয়
আসামিদের ফেরাতে বাংলাদেশ সরকারের পদক্ষেপের বিষয়ে ডিবিপ্রধান বলেন, আমরা বাংলাদেশ পুলিশের আইজির সঙ্গে কথা বলেছি। তাকে (শাহীন) ফেরত পেতে ইন্টারপোলকে চিঠি দিয়ে অবহিত করা হবে। আবার, বাংলাদেশে যে মার্কিন দূতাবাস রয়েছে, সেখানেও চিঠি দিয়ে অবগত করার পাশাপাশি সরাসরি গিয়ে কথা বলে আখতারুজ্জামান শাহীনের বিষয়টি জানানো হবে।
তিনি বলেন, অন্যদিকে, কাঠমাণ্ডুতে সিয়ামের অবস্থানের বিষয়ে আমরা জানতে পেরেছি। বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আমরা এরই মধ্যে নেপালে একটি চিঠি পাঠিয়েছি এবং নেপালের সব সংস্থাকে অবগত করেছি। আমরা মনে করছি, খুব শিগগির একটি ভালো খবর আসবে।
এদিকে, সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, এমপি আনার হত্যা মামলায় হারুন অর রশীদের দেওয়া নেপাল-যোগের সূত্র ধরে সিআইডির একটি বিশেষ দল নেপাল যাচ্ছে।
আরও পড়ুন>>
- শাহীন-সিয়ামকে ফেরাতে ইন্টারপোলে চিঠি দিলো পুলিশ
- তদন্তের স্বার্থে সব কিছু বলা যাচ্ছে না: ডিবিপ্রধান
- এমপি আনোয়ারুলের সন্দেহভাজন ৪ খুনির আখ্যান
এছাড়া, এই হত্যা মামলায় সিআইডির পক্ষ থেকে একটি স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (এসআইটি) গঠন করা হয়েছে। সেখানে দু’জন ডিআইজি পদমর্যাদার কর্মকর্তাসহ ১০ জন সদস্য রয়েছেন।
তদন্তকারীদের অনুমান, অভিযুক্ত আখতারুজ্জামান শাহীন সম্ভবত দুবাই কিংবা যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে গা ঢাকা দিয়েছেন। তবে অন্য অভিযুক্ত সিয়াম এখনো নেপালেই রয়েছেন।
সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে খুব শিগগির নেপালের উদ্দেশে রওয়ানা দেবে সিআইডির বিশেষ দলটি।
ডিডি/কেএএ/
বিজ্ঞাপন
যুক্তরাষ্ট্র
ইসরায়েলি হামলাকে ‘গণহত্যা’ বলায় চাকরি গেলো মুসলিম নার্সের
হাসেন জাবের /ছবি: সংগৃহীতফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে ‘গণহত্যা’ বলায় যুক্তরাষ্ট্রে এক মুসলিম নার্সের চাকরি কেড়ে নেওয়া হয়েছে। হাসেন জাবের নামে ওই ফিলিস্তিনি আমেরিকান নার্স ইনস্টাগ্রামে নিজেই এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি নিউ ইয়র্কের এনওয়াইইউ ল্যাঙ্গোন হেলথ নামক হাসপাতালে কাজ করতেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, গর্ভাবস্থা ও প্রসবের সময় সন্তান হারানো শোকার্ত মায়েদের নিয়ে কাজ করতেন হাসেন জাবের। সেই কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কার নিতে গিয়ে দেওয়া বক্তব্যে গাজায় ‘গণহত্যা’ নিয়ে কথা বলেন। এর একমাস পরেই তাকে চাকরিচ্যুতের চিঠি দেওয়া হয়।
বিজ্ঞাপন
জানা গেছে, জাবের তার বক্তব্যে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হওয়াকে গণহত্যা দাবি করেন। তিনি আরও বলেন, গাজায় যে গণহত্যা চলছে তাতে নারীরা অকল্পনীয় দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তাদের এই অবস্থা দেখে আমার কষ্ট হয়।
ওই হাসপাতালের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন জানিয়েছেন, নার্স হাসেন জাবরকে এর আগে গাজা ইস্যু নিয়ে কথা না বলতে সতর্ক করা হয়েছিল। এই ইস্যুতে কথা বললে কর্মক্ষেত্রে ঝামেলায় পড়তে পারেন, সে বিষয়েও তাকে সতর্ক করা হয়েছিল।
বিজ্ঞাপন
রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়, হাসপাতালের মুখপাত্র জাবেরকে এক ইমেইল বার্তায় গত বছরের ডিসেম্বরে গাজা ইস্যু নিয়ে কথা বলার বিষয়ে সতর্ক করেন। তবে তাকে বরখাস্তের বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেয়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
গাজায় ইসরায়েলের চলমান হামলায় গত আট মাসে ৩৬ হাজারেরও বেশি লোক মানুষ মারা গেছে। যুদ্ধটি সংকীর্ণ উপকূলীয় ছিটমহলে ব্যাপক ক্ষুধাও সৃষ্টি করেছে ও প্রায় ২৩ লাখ জনগণকে বাস্তুচ্যুত করেছে।
বিজ্ঞাপন
এদিকে, এই সংঘাতের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে একদিকে যেমন ইসলাম-বিদ্বেষ বাড়ছে, তেমনি ইহুদি-বিদ্বেষও ছড়িয়ে পড়ছে।
সূত্র: রয়টার্স, এনডিটিভি
এসএএইচ
বিজ্ঞাপন




0 Comments