গ্রেফতার হতে পারেনগ্রেফতার সিয়াম হোসনেকে নিয়ে মরদেহ উদ্ধারে অভিযান চালায় কলকাতা সিআইডি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে খুন হওয়া বাংলাদেশের এমপি আনোয়ারুল আজীম হত্যাকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে নেমে নতুন নতুন তথ্য পাচ্ছে দুই দেশের পুলিশ। এরই মধ্যে কিছু খণ্ডিত হাড় ও মাংস উদ্ধার করা হয়েছে, যেগুলো মি. আজীমের মরদেহের অংশ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এই ঘটনায় মরদেহ শনাক্তের পর তদন্ত শেষে অনেকেই গ্রেফতার হতে পারেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।

সোমবার সচিবালয়ে এমপি আজীম হত্যাকাণ্ডের তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেছেন, “আমরা তো এখনো বলছি সত্যের কাছাকাছি এসে গিয়েছি। ডেড বডিটা সুনিশ্চিত হলেই আপনাদের কাছে অনেক কিছু প্রকাশ করা হবে।” অনেকেই

এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে এরই মধ্যে ভারতের সিআইডির সাথে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের গোয়েন্দা পুলিশও।

এতদিন হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে কয়েকজনকে আটকের পর গত সপ্তাহে গ্রেফতার করা হয়েছে ঝিনাইদহ জেলার এক আওয়ামী লীগ নেতাকে।

গত বৃহস্পতিবার ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক কাজী কামাল আহমেদ বাবুকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

রোববার তাকে আদালতে হাজির করা হলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।

সোমবার সচিবালয়ে এমপি আজীম হত্যাকাণ্ড নিয়ে যখন কথা বলছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মি. খান তখন তাকে আটক আওয়ামী লীগ নেতার জড়িত থাকার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হয়।

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “তদন্তটা শেষ হোক, আরো অনেকেই হয়তো গ্রেপ্তার হতে পারেন। তদন্তের আগে মনে হয় এগুলো বলা ঠিক হবে না।”

বাংলাদেশের এমপি ভারতের মাটিতে হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়ায় কোন দেশে বিচার হবে সেটি নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তবে, নিয়ে সরাসরি কোন উত্তর দেননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “যেখানে ঘটনা ঘটেছে সেখানে একটি মামলা হয়েছে, সেটা হতেই হবে। মাননীয় সংসদ সদস্যের কন্যা ঢাকায় একটি মামলা করেছেন। কাজেই এ ঘটনাগুলোতে দুই দেশই সম্পৃক্ত হয়ে গিয়েছে।”

অন্যদিকে, এই ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে যাকে অভিযুক্ত করছে পুলিশ সেই আকতারুজ্জামান শাহিন এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আছে বলে জানা যাচ্ছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বন্দি বিনিময় চুক্তি আছে, বাংলাদেশের সঙ্গে নেই। সে ক্ষেত্রে শাহিনকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আনার বিষয়ে ভারত সুবিধা পেতে পারে